বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে মোট ব্যয়ের ৭১ শতাংশ জনগণকেই বহন করতে হয় বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম।
তিনি বলেন, রোগ-ব্যাধি পাল্লা দিয়ে বাড়ছে, আর এর অন্যতম প্রধান কারণ তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার।
মঙ্গলবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে অধ্যাপক ড. অরূপরতন চৌধুরীর লেখা ‘মুখের ক্যান্সার: প্রতিরোধ ও চিকিৎসা’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
নূরজাহান বেগম আরও বলেন, “কিশোর-তরুণরা লুকিয়ে সিগারেটের আসক্ত হয়ে পড়ছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
অভিভাবকদের এ বিষয়ে সচেতন হতে হবে। তামাকের বিরুদ্ধে পরিবার, সমাজ ও বন্ধু-বান্ধব—সকল পর্যায়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে।
তামাক নিয়ন্ত্রণ শুধু সরকারের কাজ নয়, বরং সকলের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।” তিনি বইটির গুরুত্ব তুলে ধরে এর ব্যাপক প্রচার প্রত্যাশা করেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাদকদ্রব্য ও নেশা নিরোধ সংস্থা (মানস)-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক ড. অরূপরতন চৌধুরী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেলের মহাপরিচালক আখতার-উজ জামান, মানস-এর সহ-সভাপতি রুমানা রশিদ ইশিতা, সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস ওয়াহিদ, সাবেম অতিরিক্ত সচিব হোসেন আলী খোন্দকার প্রমূখ।
ড. অরূপরতন চৌধুরী বলেন, মুখের ক্যান্সারের মূল কারণ তামাকপাতা, জর্দ্দা ও গুল সেবন। পানের সাথে জর্দ্দা ও সাদাপাতা ব্যবহার করায় ক্যান্সারসহ নানা দীর্ঘস্থায়ী রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন
“মুখ হলো স্বাস্থ্যের প্রবেশপথ, তাই মুখের স্বাস্থ্য রক্ষা করলে দেহের সামগ্রিক সুস্থতাও নিশ্চিত হয়। জনসচেতনতা তৈরির অংশ হিসেবে আমি এই বই লিখেছি। এখন এর প্রচারণা ও প্রসারে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে,” বলেন তিনি।
চন্দ্রছাপ থেকে প্রকাশিত স্বাস্থ্যবিষয়ক বইটি উৎসর্গ করা হয়েছে প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিনকে।